মঠবাড়িয়ায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই -ডাঃ সুদীপ হালদার - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

২৪ জুন, ২০২০

মঠবাড়িয়ায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই -ডাঃ সুদীপ হালদার

মঠবাড়িয়া ইয়াং ডক্টরস ফোরাম এর সভাপতি ডাঃ সুদীপ হালদার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এই আহবান জানান নিচে তা হুবহু স্টাটাস টি তুলে ধরা হলো….
মঠবা‌ড়িয়ায় কেউ ক‌রোনায় অাক্রান্ত হ‌লে ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই। বাড়ীতে বসে চিকিৎসা নিবেন,
চিকিৎসা সহায়তা দিবেন
মঠবাড়িয়া ইয়াং ডক্টরস ফোরাম,খাদ্য সহায়তা দিবেন উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।তারপরেও খাদ্য বা অন্য কোন সমস্যা হলে আমাদের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করবেন।ডা. ফেরদৌস,ডা রাকিবুর, ডা. জিয়াউল,ডা. সৌমিত্র।
আর যদি কোন কারনে কোন রুগী খুব খারাপ হয়ে যায়… সাথে সাথে স্বাস্হ্যববিধি মেনে বরিশালে পাঠাবেন। তবে মনে রাখবেন মঠবাড়িয়া হাসপাতালে অবশ্যই আগে চিকিৎসা নিবেন।
তারা যদি মনে করে তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করে এখানে পাঠাবেন। যদি তা করার সময় না পান,তবে মানবদরদী ওসি সাহেব, ডাইনামিক UNO মহোদয়, সবার অভিভাবক মেয়র মহোদয়,তুমুল জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান সহ যে কোন জনপ্রতিনিধি বা ছাত্রলীগ – যুবলীগ যে কেউ ফোন দিয়ে বরিশালে পাঠাবেন… তারপরের দায়িত্ব আমার।আমার পরিচালক ডা. মো বাকির হোসেন স্যার রুগীবান্ধব, মানবদরদী.. তার মাধ্যমে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্হা হবে ইনশাল্লাহ।এমনকি যদি কোন রুগীর মৃত্যু হলে মৃতদেহ বাড়ী পাঠানোর দায়িত্ব আমার। স্বাস্হ্য বিধি মানার জন্য যেসব জিনিষ দরকার আমরা সরাবরাহ করব।
একজন মানুষও যেন অবহেলার স্বীকার না হয়।বাঁচাতে হয়ত পারব না,,, চেষ্টা এবং দৌড়াইতে তো পারব।
আপনারা পাড়া মহল্লায় কমিটি করুন কোন মৃতবক্তির প্রতি অবহেলা বা ঘৃনা করা না হয়।দেখলাম আমাদের ছেলেরা খালি পায়ে দাফন করে, কালই পনের ১৫ জোড়া গামবুট কিনে ওসি সাহেবের কাছে পাঠাব… যারা এই কাজে নিয়োজিত তাদের দিবেন।গগলস আর পিপিই এবং ফেসশীল্ড ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্হা করে দিব।মনে রাখবেন আমরা সবাই ভাই ভাই এই দুর্দিনে সবাই সবার জন্য এগিয়ে যাই।ভালবাসার মঠবারিয়া, ভাল থাকুক প্রতিটি মানুষ।
ডাঃ সুদীপ হালদার
অর্থোপেডিকস সার্জন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন