বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পরিমল বিশ্বাস - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

২১ জুন, ২০২০

বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পরিমল বিশ্বাস

পরিমল বিশ্বাস,(যশোর) প্রতিনিধিঃ
বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ানের আজমেহেরপুর গ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন,,আমি নই আমরাই সেবা সংঘ,,এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পরিমল বিশ্বাস , আজ বাবা দিবস, প্রতি বছর জুনের তৃতীয় রোববার বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাবার শাসন সন্তানের জীবনকে বাস্তবতার মুখোমুখী হতে শিক্ষা দেয়। বাবা নিয়ে আবেগ আছে আকাশ ছোঁয়া। তাই বাবা দিবসে বাবাকে নিয়ে স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসলাম।বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে উৎসর্গ করা হয়ে থাকে। যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন হয় না, তবুও মা দিবসের অনুকরণে পৃথিবীব্যাপী পালিত হয় বাবা দিবস।

আমি নই আমরাই সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পরিমল বিশ্বাস বলেন,জাঁকজমকভাবে আমাদের দেশে বাবা দিবস পালিত না হলেও, অল্প পরিসরে কিন্তু ঠিকই পালিত হয় বাবা দিবস। তাছাড়া নতুন প্রজন্মের কাছে মা দিবস বা বাবা দিবসের ধারণাগুলো দিনকে দিন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ‘বাবা দিবসের শুভেচ্ছা পৃথিবীর সব পিতা আর সন্তানের সর্ম্পক  ভাল থাক, ভালো হোক, ছায়া হয়ে আদর্শের আস্থা, বিশ্বাসের মূল্য, ভালবাসার বন্ধন অটুট থাক  বতর্মান অবর্তমান সকল সময়ে সন্তান মনের ভেতর ভালবাসা বহন করুক বেঁচে থাক বিশ্বাস সব বাবারা ভাল থাকুক।

তিনি আরো বলেন,বাবা দিবসের প্রয়োজনীয়তা আপাত দৃষ্টিতে অনেকের কাছেই মা দিবস বা বাবা দিবস পালনের বিষয়টি খুব একটা গুরুত্ব পায় না। তাই বলে এ ধরনের দিবসগুলো একেবারেই যে অপ্রয়োজনীয়, তেমনটা কিন্তু মোটেও বলা যাবে না। সন্তানের জন্য বাবার ভালোবাসা অসীম। মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর সন্তানের প্রতি পিতার ভালোবাসার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছেন। তিনি সন্তান হুমায়ুনের জীবনের বিনিময়ে নিজের জীবন ত্যাগ করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। এমন স্বার্থহীন যার ভালোবাসা, সেই বাবাকে সন্তানের খুশির জন্য জীবনের অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হয়। বাবা দিবসে সন্তানদের সামনে সুযোগ আসে বাবাকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানানোর। তাছাড়া বাবা দিবস পালনের ফলে সমাজে এবং পরিবারে বাবাদের যে অবদান তা যে সমাজ এবং নিজের সন্তানরা মূল্যায়ন করছে, এ বিষয়টিও বাবাদের বেশ আনন্দ দেয়। অনেক সন্তানই আছে, যারা বাবা-মায়ের দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। মা দিবস বা বাবা দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে বাবা-মায়ের প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়,  এ ক্ষেত্রে তাই বলা যায়, পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে বাবা দিবসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। মোটকথা আমাদের পরিবার তথা সমাজে বাবার যে গুরুত্ব তা আলাদাভাবে তুলে ধরাই বাবা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।

একটি শিশুর জন্য বাবা হচ্ছেন সবচেয়ে বড় শক্তি। পরিবারে একটি শিশু তার নিষ্পাপ চোখে বাবাকে দেখে পরিবারের সবচেয়ে ক্ষমতাধর, জ্ঞানী, স্নেহশীল এবং পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে। মেয়ে শিশুরা জীবনের শুরুতেই আদর্শ পুরুষ হিসেবে বাবাকেই কামনা করে। অন্যদিকে ছেলে শিশুরা জীবনের শুরুতে বাবাকে দেখে শক্তির উৎস হিসেবে। তাই ছেলে শিশুরা চায় বাবার মতোই শক্তি অর্জন করতে তথা পরিবারের সর্বময় কর্তা হতে। এছাড়া শিশু যখন বাড়ন্ত অবস্থায় থাকে, তখন বাবা তার মূল্যবান উপদেশ দিয়ে শিখিয়েছেন কীভাবে সাহস ও বুদ্ধি খাটিয়ে জীবনে পথ চলতে হয়। বাবা তোমাকে ভালোবাসি।’

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন