মঠবাড়িয়া নরসুন্দরদের দোকান বন্ধ,করোনা দুর্যোগে মাথা ন্যাড়ার হিড়িক - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

১৭ এপ্রিল, ২০২০

মঠবাড়িয়া নরসুন্দরদের দোকান বন্ধ,করোনা দুর্যোগে মাথা ন্যাড়ার হিড়িক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং বিনা প্রয়োজনে বাইরে ঘোরাফেরা বন্ধ করতে পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর তৎপরতায় অঘোষিত লকডাউন চলছে। ফলে বন্ধ রয়েছে নরসুন্দরদের দোকান । চুল কাটাতে না পারায় উপজেলা শহরের পাড়া-মহল্লাসহ প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রামগঞ্জে মাথা ন্যাড়ার হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে কিশোর ও যুবকদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। করোনা নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে এমন দৃশ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হলেও যারা ন্যাড়া হয়েছেন তারা বলছেন, সরকারের নির্দেশে ঘরবন্দি, সেলুনও বন্ধ। তাই মাথার চুল বড় হওয়ায় ন্যাড়া হয়েছি। আবার অনেকেই বলছেন, নিছক মনের বাসনা কিংবা ভালো লাগা থেকেই তারা ন্যাড়া হয়েছেন। পাশের বা পরিচিত কারো। মাথা ন্যাড়া করা উপজেলার গুলশাখালী গ্রামের হীমেল,আরিফুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এখন সবাইকে বাসা-বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। কতদিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তারা স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরবেন, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই সুযোগে মাথা ন্যাড়া করে নিচ্ছেন। এছাড়াও এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে তারা মাথা ন্যাড়া করছেন বলেও জানান। আবার অনেকেই জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশনায় এখন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো সেলুনগুলোও বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন সেলুনে যেতে না পারায় মাথায় চুল বেড়ে যাচ্ছে। তাছাড়া গরমের এই সময়ে চুল বেড়ে গিয়ে মাথা চুলকাচ্ছে। তাই বাড়িতে বসেই মাথা ন্যাড়া করে ফেলছেন তারা। এ বিষয়ে উপজেলা দক্ষিণ বন্দর বাজারের নরসুন্দর কানাই পলাশ জানান, সরকারি নির্দেশে বাজারের সেলুন ঘরটি এখন বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই সংসার চালাতে খুব হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাড়ি গিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার জন্য দু-একজন ফোন দিচ্ছেন। পরিচিত মানুষ হলে তাদের বাড়িতে গিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দিয়ে আসছি। কিন্তু বিদেশফেরতদের তিনি মাথা ন্যাড়া করেননি বলেও জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মঠবাড়িয়া উপজেলা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইসমাইল হোসেন বলেন, দেশে করোনা ভাইরাস প্রকোপ ঠেকাতে গণহারে ন্যাড়া করার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে মাথা ন্যাড়ার করার সঙ্গে করোনাভাইরাস ঠেকানোর কোনো সম্পর্ক নেই। এবং ন্যাড়া করলেই যে ভাইরাসে সংক্রমিত হবে না এর সঙ্গে চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো ভিত্তি নেই। বিষয়টি হাস্যকর। এসব গুজব এড়িয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে পরামর্শ দেন তিনি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন