বাঘারপাড়ায় উৎসব মূখর পরিবেশে ৭ ই মার্চ আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

৮ মার্চ, ২০২০

বাঘারপাড়ায় উৎসব মূখর পরিবেশে ৭ ই মার্চ আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

পরিমল বিশ্বাস( যশোর জেলা) প্রতিনিধিঃ-

শতবছর আগে ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন; ত্যাজদ্বীপ্ত এই মানুষটি গর্জে উঠেন ৭ মার্চ; সেই গর্জনেই অর্জন ১৬ ডিসেম্বর। পৃথিবীর বুকে নাম লেখালো স্বাধীন বাংলাদেশ। একজন বঙ্গবন্ধু; একটাই বাংলাদেশ। তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা, সততা, সাহস সর্বোপরি দেশপ্রেমেই বাংলাদেশের জন্ম হলো।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙ্গালী জাতির দির্ঘ্য স্বাধীনতা
সংগ্রাম ও মুক্তিযুূদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন এদিন উপলক্ষে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়

৭ মার্চ শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী  অফিসার তানিয়া আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বীর মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব হাসান আলী,পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ মোল্যা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিথীকা বিশ্বাস,অধক্ষ্য  আজগর আলী,শচিন্দ্রনাথ বিশ্বাস, প্রভাষক নজরুল ইসলাম,মুন্সী  বাহার উদ্দীন ৭ নং দরাজহাট ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব হোসেন বাবলু,ভূমি কর্মকর্তা এ এফ এম আবু সুফিয়ান, কৃষি কর্মকর্তা  জনাব জাহিদুল ইসলাম,শিক্ষা  অফিসার ওহিদুজ্জামান, ওসি সৈয়দ আল মামুন  ফয়সাল আহম্মেদ মিল্টন, বাঘারপাড়া উপজেলার যুগ্ন- আহবায়ক  এম ডি রাজিবুল ইসলাম প্রমুখ

 বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ  ভাষণ আজও বাংলার প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গাঁথা আছে।বঙ্গবন্ধুকে কী করে ভুলে বাঙালি। এই জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে তাঁকে। এবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করছে বাংলাদেশ।

তিনি ভালোবেসেছিলেন বাঙালি জাতিকে। বীর হতে চাননি যিনি, ভয় পাননি শহীদ হতে। রক্ত দিয়ে যিনি দেশবাসীর ভালোবাসার ঋণ পরিশোধ করতে প্রস্তুত ছিলেন সর্বদা- তাঁকে কী করে স্মরণ না করে বাঙালি? বঙ্গবন্ধু ক্ষমতাকে ভালোবাসেননি, হৃদয় দিয়ে দেশকে ভালো বেসেছেন, দেশের মানুষকে ভালোবেসেছেন। অর্থ লোভ তাঁকে ছোঁয়নি কখনো। দেশের ভালোবাসার কাছে তাঁর কাছে অর্থ ছিল তুচ্ছ। এমন নেতা কি আর জন্মাবে কখনো এদেশে?

  এক বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, বাংলাকে ভালোবাসার এমন মানুষ আর কখনোই আসবে না এদেশে। তাঁর মতো করে কেউ বাংলাকে আর ভালোবাসবে না; বাঙালিকে তাঁর মতো করে কেউ আর কেউ আগলে রাখবে না।
আমরা সত্যি অকৃতজ্ঞ জাতি। যিনি আমাদের দেশমাতৃকাকে উপহার দিলেন

 দীর্ঘ রজনী ঝড়-মেঘ ইতিহাসের পথে আমাদের যাত্রায় তিনি ছিলেন সঙ্গী ও পথপ্রদর্শক। তাকে ভুলব কেমন করে? তাকে কি ভোলা যায় কখনো? তাই তো ইতিহাসের এই মহানায়কের উদ্দেশে কবি লিখেছিলেন, ‘যতদিন রবে পদ্মা, যমুনা/গৌরী, মেঘনা বহমান/ততদিন রবে কীর্তি তোমার/শেখ মুজিবুর রহমান।’

 ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ঢাকার তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু বজ্রদৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’। তারই বজ্র নির্ঘোষ ঘোষণায় উদ্দীপ্ত রয়ে গেছে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন