বাঘারপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসব মূখর পরিবেশে হোলি পূজা উদযাপন - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

৮ মার্চ, ২০২০

বাঘারপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসব মূখর পরিবেশে হোলি পূজা উদযাপন

পরিমল বিশ্বাস, (যশোর জেলা) প্রতিনিধিঃ

দোল পূর্ণিমা প্রধানত বাঙ্গালী হিন্দুদের একটি অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব যা প্রতি বছর ন্যায় অনুষ্ঠিত হয়।
হিন্দুধর্ম ঐতিহ্য,সংস্কৃতি,কৃষ্টি  ও উৎসবের আনন্দে মানবতার বাণীকেই ধারন করে আছে যুগ যুগ ধরে, বারো মাসে তেরো, পার্বণের ন্যায় হিন্দু ধর্মে লেগে আছে ঋতু ভিত্তিক উৎসব, এ উপলক্ষে ( ৯ মার্চ) সোমবার থেকে যশোরের বাঘারপাড়ার রায়পুর ইউনিয়ানের  আজমেহেরপুর গ্রামের সোনাতন ধর্ম অনুসারীদের হোলি পূজা শুরু হয়েছে। বাঙ্গালী হিন্দুদের  অন্যান্য অংশে দোল পূর্ণিমা ‘হোলি’ নামে পরিচিত, এই উৎসবের অন্য নাম বসন্তোৎসব। দোল পূর্ণিমা রঙের উৎসব যা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনায় উদযাপন করা হয়।

অন্যদিকে বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ কশি নামক অসুরকে বধ করেন।এই দিন সকলে রং, আবির দিয়ে খেলা করে একে অপরকে রং লাগিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। এই দিন রাধা কৃষ্ণের পূজা অর্চনা করা হয়,এই উৎসবে সকলে মিলে মিশে আনন্দ করেন।

বিভিন্ন অঞ্চলে হোলির রীতি ও বিশ্বাস   ভিন্ন, বাংলা অঞ্চলে বৈষ্ণব প্রাধান্য। রীতি প্রচলিত বাংলার মানুষদের জন্য এই উৎসব পালনের আর একটি কারণ হল এই দিন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মদিবস হিসাবে উৎযাপন করা হয়। হিন্দু বৈষ্ণব ধার্মিকদের জন্য এই দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীশ্রীগৌরাঙ্গ মহাপ্রভূর (৫৩৬তম) আবির্ভাব তিথি

বাংলাতে ও দোলের আগের দিন এই রকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কম এই সকল উৎসব  ধর্মের গন্ডি অতিক্রম করে সর্বমানবীয়,প্রাচীন ঋষিরা তাই হিন্দু ধর্মকে ক্ষুদ্র  গন্ডীতে আবদ্ধ করিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে ওতপ্রোত জড়িত, হোলি তেমনি  অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির উত্থানের ইতিহাস।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন