বাঘারপাড়ায় ভ্রাম্যমান অভিযানে ৩ চাল ব্যবসায়ীকে জেল - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

২২ মার্চ, ২০২০

বাঘারপাড়ায় ভ্রাম্যমান অভিযানে ৩ চাল ব্যবসায়ীকে জেল

যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
যশোরের অন্যতম চালের মোকাম খাজুরা বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চালসহ নিত্যপণ্যের সংকট হতে পারে এমন আতঙ্কে ক্রেতারা কেনাকেটা করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। এ সুযোগে একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

খবর পেয়ে রোববার বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আফরোজ ও এএফএম আবু সুফিয়ান (কমিশনার ভূমি) এ বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঘারপাড়া খাদ্য কর্মকর্তা (ওসিএলএজডি) নুরে আলম সিদ্দিকী, বন্দবিলা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ হযরত আলী।

ভ্রাম্যমান আদালতের পেশকার সিদুল বিশ্বাস জানান, কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ১ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা বেশি রাখায় তিন পাইকারী চাল ব্যবসায়ীকে ১০ দিনের বিনাশ্রম জেল দেওয়া হয়েছে। এরা হলেন সদরের লেবুতলা ইউনিয়নের গহেরপুর গ্রামের শান্তিরাম চন্দ্রের ছেলে গোপাল চন্দ্র, বাঘারপাড়ার উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের সন্তোষ মন্ডলের ছেলে অধীর মন্ডল ও একই উপজেলার তেলীধান্যপুড়া গ্রামের আব্দুস সালাম মোল্যার ছেলে আবুল হোসেন। অভিযানকালে এক পাইকারী চাল ব্যবসায়ী পালিয়ে গেলে বন্দবিলা ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে এসে পুলিশে সোপর্দ করে।

এছাড়া পাইকারী চাল ব্যবসায়ী দেলোয়ার এন্ড ব্রাদার্স, সম্রাট ট্রেডার্স, ভাই ভাই ট্রেডার্স, মন্ডল ট্রেডার্সসহ খুচরা বাজারে গিয়ে করোনা আতঙ্ককে পুঁজি করে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাজানোর বিষয়ে পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদেরকে সতর্ক করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আফরোজ বলেন, করোনা আতঙ্ককে পুঁজি করে কেউ যেন বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করতে পারে এবং মজুত থাকার পরেও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম না বাড়াতে পারে সেজন্য উপজেলা প্রশাসন মাঠে থাকবে। নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি (ইউএনও) বলেন, সতকর্তা অবলম্বনে দু’একদিনের মধ্যে উপজেলায় বিদেশ ফেরতদের বাড়িতে লাল পতাকা দিয়ে চিহিৃত করা হবে। এছাড়া কোচিংয়ে জড়িত শিক্ষকদের আইনের আওতায় আনা হবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন