বরিশালে মহল্লায় মহল্লায় থামছে না আড্ডাবাজি - সুকৌশলে মিলাচ্ছে আড্ডা - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

২৭ মার্চ, ২০২০

বরিশালে মহল্লায় মহল্লায় থামছে না আড্ডাবাজি - সুকৌশলে মিলাচ্ছে আড্ডা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য সরকার নানা ব্যবস্থা নিলেও মহল্লায় মহল্লায় উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণদের আড্ডা থামানো যাচ্ছে না। নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব বন্ধ থাকলেও অযথা ঘোরাঘুরি করছেন এই কিশোর-তরুণরাসহ নানা বয়সের মানুষ। ক’জন জটলা পাকিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন তো, কেউ আবার মোটরবাইকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন, তা-ও হেলমেট বা কোনো ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই। তাদের পাশাপাশি প্যাডেলচালিত রিকশার দাপটও লক্ষ্য করা যাচ্ছে বরিশাল নগরীর পাড়া-মহল্লায়। এমনকি বিভিন্ন চায়ের দোকানে বসে আড্ডায় মেতেছেন তারা। কিছু কিছু দোকানি তাদের দোকানের অর্ধেক ঝাঁপ খুলে হরদমে বিক্রি করছে চা। সেখানেই সুকৌশলে মিলাচ্ছে আড্ডা।বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এভাবে আড্ডাবাজি থামানো না গেলে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। পাশাপাশি এই রিকশাচালকদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। যদিও রিকশাচালকদের অনেকে বলছেন, তারা পেটের তাগিদেই এই দুর্যোগেও রাস্তায় বেরিয়েছেন।বরিশাল নগরীর বিভিন্ন মহল্লা ঘুরে দেখা গেছে, এলাকার অলি-গলিতে উঠতি বয়সী কিশোর-তরুণরা ঘোরাঘুরি করছেন। কেউ কেউ জটলা পাকিয়ে আড্ডাও দিচ্ছেন। এসব এলাকা সংলগ্ন মূল সড়কে পুলিশ ও সেনা টহল থাকলেও মহল্লাগুলোতে এমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এই সুযোগেই আড্ডা দিয়ে বেড়াচ্ছেন করোনাভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপারে অসচেতন কিশোর-তরুণরাসহ নানান বয়সের মানুষ।
নগরীর খেয়াঘাট এলাকায় কয়েকজন বন্ধু নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন সজিব। তিনি বলেন, বাসায় বন্দী থাকতে তাদের লাগছে না। তাই বাইরে বের হয়েছি। একটু ঘোড়াঘুড়ি করে আবার বাসায় ফিরে যাবো।অন্য দিকে নগরীর বিভিন্ন সড়কে অবাধে চলাচল করছে রিকশা। নগরীর কাউনিয়ায় রফিক নামের এক রিকশাচালক বলেন, ১০ দিন আমরা কাজ না করে কীভাবে চলব? সরকারি সাহায্য কোনোদিনই আমাদের কাছে আসেনি, আসবেও না। তাই পেটের তাগিদে রিকশা বের করেছি।
এভাবে অবাধে রিকশা চলাচল নিয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন বলেন, পরিবেশগত কারণে এসব রিকশাচালক মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তবে তাদের রুটি-রুজির বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে। যাতে তারা একটা প্রণোদনা পায়।
এভাবে অবাধে রিকশা চলাচল নিয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন বলেন, পরিবেশগত কারণে এসব রিকশাচালক মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তবে তাদের রুটি-রুজির বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে। যাতে তারা একটা প্রণোদনা পায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন