বাঘারপাড়ায় নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মশত বার্ষিকী পালিত - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

১৮ মার্চ, ২০২০

বাঘারপাড়ায় নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মশত বার্ষিকী পালিত


পরিমল বিশ্বাস (যশোর জেলা) প্রতিনিধিঃ

আজ ১৭ মার্চ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ৪ নং নারিকেলবাড়ীয়া ইউনিয়ানের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  বাঘারপাড়া উপজেলার ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যশোর সিটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এবং যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক পাঠাগার বিষায়ক সম্পাদক জনাব মোঃ আলমগীর সিদ্দিকীর আয়োজনে
ধুপখালী ভগিরাত রাজা বাজারে    কেক কেটে এ আয়োজন করা হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভগিরথ বাজার বনিক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি বাকী বিল্লাহ,বাঘারপাড়া উপজেলা যুবলীগ নেতা উজ্জল হোসেন,আওয়ামিলীগ নেতা শেখ আল-মুবিন,মোঃ মেহেদী হাসান রিপন মুক্তিযুদ্ধা বিভাগীয় সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুর রব ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি অরুন অধিকারী সাধারন সম্পাদক হুমায়ন কবির,জয়েন সেক্রেটারি ফরহাদ হুসাইন ছাত্রলীগ নেতা হুসাইন কবির সহ স্থানীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

 ১৯২০ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ার সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

খোকা নামের সেই শিশুটি পরবর্তীতে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালির ত্রাতা ও মুক্তির দিশারী। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ এবং জনগণের প্রতি মমত্ববোধের কারণে পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। এক রাজনৈতিক সংগ্রামবহুল জীবনের অধিকারী এই নেতা বিশ্ব ইতিহাসে ঠাঁই করে নেন স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসাবে..মহাকালের আবর্তে অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। হারিয়ে যাওয়া এ নিয়মের মধ্যেও অনিয়ম হয় কিছু স্মৃতি, গুটিকয়েক নাম। বাংলা ও বাঙালীর কাছে বঙ্গবন্ধু নামটি তেমনই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এ বাঙালীর অবদানের পাশাপাশি তাঁর জন্মের তিথিও চিরজাগরুক থাকবে বাঙালীর প্রাণের স্পন্দনে। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ হাজার বছরের শৃঙ্খলিত বাঙালীর মুক্তির দিশা নিয়ে জন্ম হয় মুজিব নামের এক দেদীপ্যমান আলোক শিখার। এ আলোক শিখা ক্রমে ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র, নিকষ কালো অন্ধকারের মধ্যে পরাধীনতার আগল থেকে মুক্ত করতে পথ দেখাতে থাকে পরাধীন জাতিকে।

অবশেষে বাংলার পুব আকাশে পরিপূর্ণ এক সূর্য হিসেবে আবির্ভূত হয়, বাঙালী অর্জন করে মুক্তি। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু আজ নেই, কিন্তু সে সূর্যের প্রখরতা আগের চেয়েও বেড়েছে অনেকগুণ। তাঁর অবস্থান এখন মধ্যগগনে। সেই সূর্যের প্রখরতা নিয়েই বাঙালী জাতি আজো সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। এই দেশ ও এই ভূখণ্ড যতদিন থাকবে, পদ্মা-মেঘনা-যমুনায় যতদিন স্রোতধারা বহমান ততদিন বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হবে এর সর্বত্রই, সবখানে।রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হচ্ছে। আজ সরকারি ছুটির দিন। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাণঘাতী করোনা প্রতিরোধ এবং প্রগতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীসহ জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ লড়াইয়ের দুর্জয় প্রেরণা, ইস্পাতকঠিন প্রত্যয় আর সকল ষড়যন্ত্রের কুহেলিকা ভেদ করে সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকরের দৃপ্ত শপথ নিয়ে কৃতজ্ঞ বাঙালী আজ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন