বাঘারপাড়ায় ভেজাল গুড় ও তৈলের কারখানায় অভিযান : ২ লাখ টাকা জরিমানা, আটক ৩ - অনলাইন মঠবা‌ড়িয়া সেবা

শিরোনাম

"সত্য প্রকা‌শে আমরা"

Post Top Ad

Wikipedia

সার্চ ফলাফল

২০ ফেব, ২০২০

বাঘারপাড়ায় ভেজাল গুড় ও তৈলের কারখানায় অভিযান : ২ লাখ টাকা জরিমানা, আটক ৩

যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ-যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার নারকেলবাড়িয়ায় ভেজাল গুড় ও সরিষার তৈল তৈরীর কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ৩০ লাখ টাকার ভেজাল গুড় ও ১ হাজার কেজি সরিষার তৈল নষ্ট করা হয়। বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আফরোজ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন, নারিকেলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল সরদারসহ সাংবাদিক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের পেশকার মাসুদ হোসেন জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের হারাধন কুন্ডু নিজ বাড়ির পাশেই গুড় তৈরীর কারখানা গড়ে তুলেছেন। চিনি, বিভিন্ন প্রকার মেডিসিন ও ফ্লেভার দিয়ে গুড় তৈরী করে যশোর সহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে গুড় তৈরীর জন্য বিপুল পরিমান চিনি ব্যবহারের খালি বস্তা, পাউডার জাতীয় বিভিন্ন কেমিক্যাল, রং, ফ্লেভার, গুড় তৈরির ব্যারেলের ভিতর পলিথিন ও চাঁড়াসহ ময়লা দেখতে পাওয়া যায়। কারখানাটিতে প্রায় ২৫জন শ্রমিক ৫টি বিশালাকৃতির চুলায় গুড় তৈরি করে থাকে। প্রতিদিন এখানে প্রায় কয়েক শত ভেজাল গুড় তৈরি হয়। একই সাথে এখানে তৈরি হয় ভেজাল সরিষার তৈল। নিম্নমানের সয়াবিনের সাথে এক ধরনের রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি হয় নকল এ তৈল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আফরোজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে বিপুল পরিমাণ চিনির খালি বস্তা, কয়েক’শ গুড়ের ভাড় জব্দ করা হয়। একই সাথে সেখান থেকে এক হাজার কেজি নকল সরিষার তৈল উদ্ধার করা হয়। এ সময় কারখানার তিন শ্রমিককে আটক করা হয়। তবে কারখানার মালিককে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানায়, কারখানার মালিক নারিকেলবাড়ীয়া হারান কুন্ডু দীর্ঘদিন যাবৎ এ ভেজাল গুড় তৈরি করছেন। সে যশোরের বাজার থেকে তরল গুড় কিনে তার সাথে চিনি ও পানি মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে গুড় তৈরি করেন। গুড় তৈরির জন্য এতে ক্ষতিকারক আইকা গাম মেশানো হতো। একই সাথে ভেজাল ও নিন্মমানের সরিষার তৈল তৈরি হতো। তৈরিকৃত গুড় ও তৈল যশোরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলার বাজারে বাজারজাত করে থাকেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন