অনলাইন ডেস্কঃ এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বরদের কাছে ধর্ণা ও দেন দরবার করেও অতি দরিদ্র অসহায় বৃদ্ধদের বয়স্কভাতার কার্ড মেলেনি। নিরুপায় এসব প্রবীণরা প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে সরাসরি আবেদন করেন বয়স্কভাতা বঞ্চিত পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার ৩৩জন অসহায় বৃদ্ধ। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আবেদনকারী ৩৩জন বৃদ্ধের মিলল বয়স্কভাতা।
আজ সোমবার দুপুরে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল আলম এসব হতদরিদ্র বৃদ্ধদের মাঝে প্রত্যেককে বয়স্কভাতার নগদ চার হাজার পাঁচশত টাকা তুলে তুলে। এছাড়া তাদের ভাতার কার্ড ও ইফতার সামগ্রীও প্রদান করা হয়। এসময় সেখানে অসহায় বৃদ্ধদের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অসহায় বৃদ্ধরা বয়স্কভাতা পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করেন।
এ বয়স্কভাতা বিতরণকালে, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ভবানী শংকর বল, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিলন উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলার গৌরিপুর ইউনিয়নের ৭৫ বছরের হতদরিদ্র বৃদ্ধ আবদুর রশিদ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে ধরনা দিছি। কেউ মোরে ভাতা দেয় নাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন দিছিলাম অহন ভাতা পাইছি। আল্লায় যেন প্রধানমন্ত্রীরে বরকত দেয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ভবানী শংকর বল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এক বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে বয়স্ক, বিধবা এবং প্রতিবন্ধীদের, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতার তালিকায় ভা-ারিয়ার ৩৩জন বয়স্ককে অর্ন্তভূক্ত করে এ ভাতা প্রদান করা হয়।